সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা কি? কি কারনে বন্দ্ব্যাত্ব হয়।বন্দ্ব্যাত্ব কি ভাবে কিছূটা দূর করা যায়।

বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা এখন একটি প্রকট সম্যসা।ইহা একটি বিশ্বব্যাপী সম্যসা ।সবচেয়ে বেশী এই সম্যসা দেখা যায় জাপন এবং সুইডেনে এর অন্যতম লেট মেরিজ বদেরিতে বিবাহ।সারা বিশ্বে প্রতি ছয ৬ দম্পতির মধ্যে ১ দম্পভির মধ্যে বন্দ্ব্যাত্ব দেখা যায়। যখন কোন দম্পতি দীঘ' এক বছর যাবৎ চেষ্টা করার পরও কোন কনসিভ হয় না তখন তাকে বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা বলে।            বন্দ্ব্যাত্বের কোন নিদৃষ্ট কারন নেই আবার এমন কিছু জৈবরাসয়ানিক  কায' রয়েছে যা না ঘটলে বাচ্চা জন্মধারন করা কোন ভাবেই সম্ভব না। যেমন  মাসিক না হলে তো কোনভাবেই সম্ভব না।আবার মাসিক হলেই চলবে না মাসিক নিয়মিত হতে হবে।            বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা সধারনতঃ মহিলাদের  মধ্যে বেশি হয়ে থাকে ।তবে পুরুষেরও  বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা হয়ে থাকে । যদি কোন মহিলার বন্দ্ব্যাত্ব হয় ।তা হওয়ার সম্ভ্যাব কারনগুলি নিন্মে প্রদত্ত হল‍‍‍‌‌‌‌‌‌৷ মহিলাদের  বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা মূল কারন সাধারনতঃ ওভিলেশন(Ovulation Problem) সম্যসা এবংকোন কারনে ফেলোপিয়ান ...

ফেসিয়াল পালসি বা নাভ্ প্যারালাইসিস কি।

ফেসিয়াল পালসি এক ধরনের প্যারালাইসিস ।আমাদের দেহের ৭ তম ক্রেনিয়াল নাভটিকে  ফেসিয়াল নাভ বলে।এটি যখন আংশিক বা সম্পূন রুপে প্যারালাইজড হয়ে যায় তখন তাকে  ফেসিয়াল   প্যারালাইসিস বা পালসি বলে।জন বেল নামক একজন গভেষক ইহা আবিস্কার করেন।এই রোগটি পুরুষ ও মহিলা উভয়েরই মধ্যেই দেখা যায় তবে পুরুষের চেয়ে মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। ফেসিয়াল পালসি বা বেলস পালসি কেন হয়। বিভিন্ন কারনে  ফেসিয়াল পালসি হয়ে থাকে।তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য কারনগুলি হচ্ছেঃ ভাইরাল ইনফেকশন। মধ্যকনে ইনফেকশন। ঠান্ডাজনিত কারনে। আঘাতজনিত কারনে। মস্তিস্কের স্টোকজনিত কারনে। ফেসিয়াল টিউমার। কানের মধ্যে আপারেশন জনিত  কারনে হতে পারে। ফেসিয়াল পালসি বা বেলস পালসি  হলে রোগির মধ্যে  যেসব লক্ষনগুলি দেখা যায় তা হলঃ আক্রান্ত  রোগির মূখ একদিকে বাঁকা হয়ে যায়।কথা বলতে সামন্য কষ্ট হয়। আক্রান্ত পাশের চোখের নাভ ক্ষতিগ্রস্হ্য হয়।ফলে চোখ বন্দ্ব হয়্না ও চোখ দিয়ে পানি ঝড়তে থাকে। খাবার গিলতে কষ্ট হয়। কূলি করতে গেলে অন্য পাশে চলে যায়। কপাল ভাঁজ করতে পারে না। অনেক সময় কথা বলতে কষ্ট হয়।

জিহবার আলসার বা ঘা সৃষ্টির কারন ।

জিহবার আলসার বা ঘা একটি বিড়ম্বনার অনূভুতি। জিহবার আলসারের কারনে একদিকে যেমন খাদ্যদ্রব্য  গ্রহনে  সম্যসা হয় অন্যদিকে রোগী মানসিক ভাবে দুশ্চিন্তাগ্রস্হ্য হয়ে পড়ে।তাই    জিহবার আলসারের প্রধান কারনগুলো জানা প্রয়োজন।                                            জিহবার আলসার বা ঘা নিন্মে যে সব কারনে আলসার সৃৃষ্টি হয় তা  বননা দেওয়া হল । জিহবার আঘাতঃজিহবার আঘাত জনিত কারনে সাধারনত আলসার দেখা দিতে পারে।এছাড়াও ধারনা করা হয় আঘাতজনিত কারনে  জিহবার ইওসিনোফিলিক দেখা দিতে পারে।এই জাতীয় আলসার খুব দ্রুত গতিতে বিস্তার  করে।এই সময় রোগী খুব অস্বস্তিতিত ভোগে থাকে। হারপিস ভাইরাসের সংক্রমনে । রক্তশূন্যতার কারনে গভ্রবতী ও মাতৃদূগ্দ্বদানকারী মায়েদের আলসার দেখা দেয়। ধারালো দাতেঁর   কারনে।  জিহবার স্নায়ু কোন  কারনে  ক্ষতিগ্রস্হ্য হলে।যেমন-ওররাাল সাজারীর সময় বা ড়েন্টাল চিকিৎসার সময়।   ক্যানডিডা সংক্রমনের কারনে জিহবায় সাদা বা লাল ...

চিকনগুনিয়া কি।চিকনগুনিয়া জ্বরের লক্ষন গুলি কি কি।

চিকনগুনিয়া জ্বর একটি ভাইরাস ঘটিত জ্বর। চিকনগুনিয়া নামক আলফা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে   চিকনগুনিয়া জ্বর হয়।এই রোগটি সাধারনতঃআনহাইজেনিক পরিবেশে বেশি হয়।তাই রোগটি আফ্রিকা ও এশিয়ার অনেক উন্নেয়নশীল ও দরিদ্রে দেশে এই রোগের প্রাদুভাব দেখা যায়।তবে   চিকনগুনিয়া জ্বরে মৃৎতুর আংশন্কা কম।এই জ্বরের জীবানুর বাহক এডিস ইজিবটি নামক মশাআন্যান মশার কামড়েও এই রোগটি হতে পারে।দিনের বেলায়  সাধারনতঃ এই মশায় কামড়ায়। সাধারনতঃ  চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যাত্তিকে কোন মশা কামড়াইলে ঐ মশার দেহে  চিকনগুনিয়া জ্বরের জীবানু প্রবেশ করে এবং এই মশা কাউকে কামড় দিলে সেও  চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত হয়।                                         চিকনগুনিয়া জ্বর চিকনগুনিয়া জ্বরের লক্ষনগুলি  ঃ প্রচন্ড জ্বর আসে হঠাৎ করিয়া। জ্বরে আক্রান্ত ব্যত্তির দেহের জয়েন্টের মধ্যে প্রচন্ড ব্যাথা অনূভুত হয়। হাটু ও পায়ের পাতায় প্রচন্ড ব্যাথা  হয় যার কারনে হাটতে ব্যাঘাত ঘটে। পিঠে ও মের...

পিএলআইডিজনিত কোমর ব্যাথা

আমাদের দেহের কোমর ব্যাথার অন্যতম কারন পিএলআইডিজনিত বা লাম্বার ইন্টার ভাটিয়াল ডিস্ক প্রল্যাপস। পিএলআইডির লক্ষনঃ প্রধান লক্ষন কোমড় ব্যাথা। ব্যাথা কোমড় থেকে পায়ের গোড়ালি পযন্ত হতে পারে। পায়ে ঝঝি ঝি ধরতে পারে। অনেক সময় দাড়াতে কষ্ট হয়। রোগ নিনয়ঃ আমাদের মেরুদন্ডের কোমরের অংশে পাচটি কশেরুকা বা ভাট্রিব্রা দ্বারা গঠিত।এর নিচে থাকে স্যাক্রাম । এই  পাচটি কশেরুকা  ও  স্যাক্রামের মাঝে তালের শাঁসের মতো স্হিতিস্হাপক চাকতি থাকে।এই চাকতি গুলো মেরুদন্ডের  শক এ বজধারের  মতো কাজ করে।এদের উপর ভর করেই  মেরুদন্ডের কোমরের  অংশ তার কাযক্রম চালায়।সামনে ঝোকা এবং ডানে ও বামে বাকা হওয়া হাটা শোয়া বসাসহ প্রায় সব মূভমেন্টেই এই চাকতিগুলো গুরূত্বপূন ভূমিকা পালন করে। পিএলআইডিতে এই চাকতিগুলো তার অব

ঘাড় ব্যাথা কেন হয়।ঘার ব্যাথার চিকিৎসা পদ্বতি ।

আমাদের নানা কারনে ঘাড় ব্যথা হতে পারে।কারও না কারও জীবনে কোনো একসময় ঘাড় ব্যথায় ভোগেন।আমাদের মেরুদন্ডের ঘাড়ের অশংকে সারভাইক্যাল  স্পাইন বলে। মেরুদন্ডের ওপরের সাতটি কশেরুকা ও দুই  কশেরুকার মাঝখানের ডিস্ক,পেশি ও লিগামেন্ট নিয়ে   সারভাইক্যাল  স্পাইন বা ঘাড় গঠিত।মাথার হাড় বা স্কাল থেকে  মেরুদন্ডের সপ্তম  কশেরুকা পয'ন্ত ঘাড় বিস্তৃত।আট জোড়া  সারভাইক্যাল  স্পাইন নাভ'( স্নায়ু) ঘাড়,কাধঁ, বাহু,নিবাহু,এবং হাত আঙ্গুলের চামড়ার অনূভুতি ও পেশির মূভমেন্ট প্রদান করে।এ জন্য ঘাড়ের সমস্যায় রোগী ঘাঁড় ,কাধ,বাহু ও হাত বা শুধু হাতের বিভিন্ন উপসগ' নিয়ে চিকিৎসকের শরন্নাপন্ন হন।ঘাড়ের সমস্যা পুরুষের  তুলনায় মহিলাদের বেশী হয়।ঘাড়ে দুই ধরনের ব্যাথা হয় । ১।লোকাল বা স্হানীয় ব্যাথা। ২।রেফাড' পেইন বা দুরে ছড়িয়ে ব্যাথা।

যৌন রোগে মূখের কি কি সমস্যা হয়।

বিভিন্ন প্রকার যৌন রোগে মূখের নানাবিধ সমস্যা হয়ে থাকে।যেমনঃসিফিলিস এক প্রকার অন্যতম যৌন রোগ।ইহা ট্রিপোনিমা প্যালিডাম নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়ে থাকে।এই ব্যাকটেরিয়া গুলো গ্রাম নেগেটিভ ব্যাসিলাস ধরনের ।সিফিলি সংক্রমনের তিনটি ধাপ রয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেএে মূখের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমস্যার সৃস্টি হয়ে থাকে।তিনটি ধাপ হচ্ছে- ১ম ধাপ -সিফিলিসের প্রথম ডিগ্রি সংক্রমনের ক্ষেএে সাধারনত ঠোট ও জিহব্বায় আলসার যুত্ত নডিউল দেখা যায়।ঘারের লসিকা গ্রন্হি বা লিম্ফনোডগুলো বড় হতে পারে। দ্বিতীয় ডিগ্রি সংক্রমনঃ প্রথম ডিগ্রি সংক্রমনের দুই থেকে চার মাস পর দ্বিতীয় ডিগ্রি সংক্রমন শুরু হয়।সাধারনত মূখ গহব্বরের ওরাল মিউকোসাতে আলসারের সৃস্টি হয়ে থাকে।কিছু কিছু সময় লালচে দাগ দেখা দিতে পারে।সেরোলজিক্যাল পরীক্ষায় এ সময় সিফিলিস পজেটিভ হয়ে থাকে। তৃতীয়  ডিগ্রি সংক্রমনঃ সিফিলিসের তৃতীয় ডিগ্রি সংক্রমন কয়েক বছর পর পর হয়ে থাকে।এক্ষেএে তালু এবং জিহব্বায় পচনশীল সংক্রমন দেখা দিতে পারে। সিফিলিসে অনেক সময় সামনের দাঁতের মধ্যে অসামঞ্জস্য দেখা দিতে পারে।অনেক সময় পিছনের দিকের মোলার দাঁতেও সমস্যা দে...

চল্লিশধৌ' বয়সের পর হইতে হাটুর মাংসপেশির শত্তি কমে যায় কেন।কমে গেলে কি করবেন।

প্রত্যেক পুরুষ এবং মহিলার দেহের যাবতীয় জৈবিক কাজ গুলো সাধারনত হরমোনের প্রভাবে সংঘঠিত হয়ে থাকে ।পুরুষ এবং মহিলার বয়স যখন ৪০ বছরের কাছা কাছি আসে তখন থেকে মানুষের দেহের মাস্টার হরমোন কমতে থাকে তখন থেকে শরীরের মধ্যে নানা ধরনের জটিলতা দেখা যায় বিশেষ করে যৌন আগ্রহ কমতে থাকে,সৃতি শত্তি লোপ পায়,মনযোগ কমে যাওয়া,ভূলে যাওয়া,নিদ্রাহীনতা,হাঁড়ের মধ্যে ক্যালসিয়াম জমা না কমতে থাকে যাকে বলে অস্টিওপোরসিস। তখন দেহের বিভিন্ন অংশের কমপ্লিকেশন এর মত আমাদের দেহের মাংসপেশিগুলোর শত্তিও কমতে থাকে।দেহের বিভিন্ন অংশের মাংশপেশির মত হাটূর মাংসপেশিগুলোর শত্তিও কমতে থাকে।এবং হাটুতে রয়েছে দেহের সব' বৃহৎ জয়েন্ট ,এই জয়েন্ট দেহে খুবই গুরুত্বপূন'।এই জয়েন্ট দেহের সমস্ত ভার বহন করে তাই এই জয়েন্টকে শরীরের ওজন বহনকারী জয়েন্ট বলা হয়।যেমন হাঁটা চলার সময়,সিড়ি দিয়ে ওঠানামা,নিচে বসা,নামাজ পড়ার সময়,টয়লেটে বসা ইত্যাদি ক্ষেএৃে হাটুর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূন'।হাটুর গঠন অনূযায়ী অস্হির পাশাপাশি কিছু রস্মির মতো বস্তু থাকে যেগুলোকে মেডিক্যালের পরিভাষায় লিগামেন্ট বলা হয়,মূলত এই লিগামেন্ট গুলিই হাটুর জয়েন্টের স্ট্যাবিলিটি  বা...

শ্বাসনালির ক্যান্সার কি।ইহার লক্ষণ গুলো কি কি।

ব্রং কাই(Bronchi) বা শ্বাসনালির যে কোনো অংশে প্রথমে ফ্রাইব্রয়েড ধরনের টিউমার তৈরি হয় এবং ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক  ধরনের কোষ সৃস্টি হতে থাকে ইহাকেই শ্বাসনালির ক্যান্সার বা Bronchogenic Carcinoma বলে। সাধরনত দুই প্রকার শ্বাসনালির ক্যান্সার হয়ে থাকেঃ ১।Small cell Lung Cancer - শ্বাসনালির ক্যান্সারের মধ্যে এই প্রকারের রোগীর সংখ্যা ১৫ শতাংশ। ২।Non small cell Cancer-আক্রান্ত রোগীর মধ্যে এই প্রকার ক্যান্সারের সংখ্যা ৮০ শতাংশ। লক্ষনগুলি নিন্মরুপ- ১।কাশি ও গলা ব্যাথা পাশাপাশি প্রচুর শ্লেস্মা উঠে।  ২।কাশির সহিত বুক ব্যাথা ও রক্ত বের হয়। ৩।বারবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া এবং ফুসফুসে আক্রান্ত অংশ ঠান্ডা হয়ে যায়।  ৪।দেহে হালকা জ্বর থাকে। ৫।দেহ ধীরে ধীরে শীন' হতে থাকে এবং ওজন কমে যায়। ৬।শারীরিক দূব'লতা এবং দেহে শোথ বা পানি জমা হয়। ৭।খাবারে অরুচি ও ক্ষুধা মন্দা। ৮।রক্ত স্বপ্লতা দেখা দেয়।শ্বাসনালিতে টিউমার থাকার কারনে শ্বাসনালি সরু হয়ে যায় এবং শ্বাসকস্ট দেখা দেয়। ৯।কোন কোন রোগীর খাদ্য গিলতে কস্ট হয়। ১০।পরিশ্রম করলে বা ব্যায়াম করলে শ্বাসকস্ট বৃদ্বি পায়।সাধারন চিকি...

ম্যালিগন্যান্ট মাসোথেলিমা (malignant mesothelioma ) কি? ইহার লক্ষনগুলি কি কি?

ম্যালিগন্যান্ট মাসোথেলিমা (malignant mesothelioma ) এক প্রকার ক্যানসার (Cancer) ।ইহা সাধারনতঃ মানুষের দেহের অভ্যন্তরিন(internal) অঙ্গের আবরনী(cover) কলার পাতলা স্তরের মধ্যে হইয়া থাকে। ম্যালিগন্যান্ট মাসোথেলিমা (malignant mesothelioma ), ক্যানসারের  একটি মারাত্ন্ক ও এগ্রেসিভ পযা'য়। দেহের কোন অংশের অঙ্গের মধ্যে ম্যালিগন্যান্ট মাসোথেলিমা (malignant mesothelioma ) সংঘটিত/ঘটে তার উপর ভিত্তি করিয়া চিকিৎসক গন ইহাকে কয়েক ভাগে ভাগ করেছেন।       ম্যালিগন্যান্ট মাসোথেলিমা (malignant mesothelioma ) সাধারনতঃ ফুসফুসের আবরনি কলার পাতলা স্তরের মধ্যে বেশি হইয়া থাকে।এই ধরনের প্লুরাল ম্যালিগন্যান্ট মাসোথেলিমা (malignant mesothelioma ) বলে। অনেক সময় অ্যাবডোমেন এর আবরনি কলার মধ্যেও হতে পারে।এই ধরনের  ম্যালিগন্যান্ট মাসোথেলিমা (malignant mesothelioma ) কে পেরিটোরিয়াল   মাসোথেলিমা (malignant mesothelioma ) বলে।এই ধরনের ম্যালিগন্যান্ট মাসোথেলিমা (malignant mesothelioma ) সাধারনতঃ কম হয়ে থাকে।  অনেক সময় হ্রৎপিন্ড ও শুএাশয়ের আবরনির মধ্যে হতে পারে।...

আপনি কিভাবে বয়৪সন্দ্বি কাল পরিচচা' করিবেন.

যখন একজন কিশোর /কিশোরীর বয়ংসন্দ্বি কাল আসে তখন তারা প্রথমে  অ৪সস্তিকর অবস্হ্যা অনূভব করেন।বয়ংসন্দ্বিকাল সাধারনত কিশোরীদের শুরু হয় ৮ থেকে ১৪ বৎসরে,ইহা অনেকটা ভীন্নতা লক্ষ্য করা যায় পরিবেশগত এবং ভৌগলিক অবস্হানের কারনে ।স্বকীয় দৈহিক গঠন এবং হরমোন নিস্বরনের ভীন্নতার কারনে ও ভীন্ন ভীন্ন বয়সে সংঘটিত হয়।বাংলাদেশ.পাকিস্হান.ভারতের কিশোরিদে মাসিকচক্র(Menstruation cycle) খুব অল্প বয়সেই শুরু হয়। মেয়েদের যখন প্রথম মাসিক শুরু হয় তারা প্রথমে ভয় পেয়ে যান রত্ত বের হতে থেকে এবং একটু বিব্রত হয়ে যান আবার অনেকে কার ও কোন কিছু না শেয়ার করে একাকিত্ব ও বিষন্নতা ভোগে তাই আমি পরামশ্ দিব আপনি আপনার মার সাথে অথবা বড় বোন অথবা ঘনিষ্টজনের সাথে শেয়ার করুন অথবা অনলাইনে সাচ দিয়ে জানুন।মাসিকের সময় ভয় পাবার কিছু নেই ।                                             (  চিএঃ    প্রাথমিক মাসিক অবস্হ্যায় পরিচযা ) প্রথম দিকের মাসিকের সময় ১দিন বা ২য় দিন পযন্ত হালকা/অল্প পরিমান রত্ত বের ...

মাসিক বা পিরিয়ডের ব্যাথায় করনীয়।

মাসিক চক্রের বিশেষ সময়ের কিছুদিন আগে ও ওই সময়ের শুরুর দিনগুলো পেট ও পিঠ ব্যাথার অভিজ্ঞতায় পতিত  হতে হয় ।তাই জেনে রাখা ভাল কিভাবে পিরিয়ডের ব্যাথা দূর করা যায়।ব্যাথা নাশক ঔষধ না খেয়েও ঘরোয়া কিছু পদ্বতিতে ব্যাথা দূর করা যায়।নিন্মে কিছু ঘরোয়া পদ্বতি আলোচনা করা হলঃ গরম তাপঃ পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত ব্যাথা হলে হট ওয়াটার ব্যাগ য়ে গরম পানি  ভরে তলপেটে চেপে রাখা যেতে পারে।তবে খেয়াল রাখতে হবে পানির তাপমাএা যেন সহনীয় পযা'য়ে থাকে।গরমতাপ দেওয়ার ফলে ব্যাথা কিছুটা কমে আসবে।কারন গরম তাপের ফলে ইউট্রাসের পেশিগুলো শিথিল করে ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। আদাঃ ব্যাথা কমাতে চা পান করা বেশ উপকারী।বেশী পরিমান আদা দিয়ে ক্যামোমাইল চা তৈরী করে পান করতে পারেন।আদা প্রোস্টাগান্ডিনের মাএা কমাতে সাহায্য করে ক্যামোমাইল ব্যাথা উপশমে সহায়ক।ব্যাথানাশক হিসেবে এই চা বেশ উপযোগী। মৌরিঃ মৌরিতে রয়েছে অ্যান্টিসপাসমডিক এবং অ্যান্টিইনফ্লামটরি উপাদান,যা ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে।ব্যাথা হলেই মূখে চিবিয়ে নিতে পারেন অথবা পানিতে ফুটিয়ে অল্প  করে চায়ের মত পন করতে পারেন। দারুচিনিঃ পিরিয়ডের সময় জমাঁট বাঁধা রক্ত ...

হিমোফিলিয়া কি? হিমোফিলিয়া চিহ্ন ও লক্ষনগুলি কি কি?

আমাদের দেহের মধ্যে অবস্তিত ধমনী ও শিরার মধ্যে দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়।দেহের মধ্যে দিয়ে অথাৎ ধমনী বা শিরার মধ্যে দিয়ে যখন রক্ত প্রবাহিত হয় তখন রক্ত জমাট বাধেঁ না হেপারিনের উপস্হিতির জন্য।এই হেপারিন এর পরিমান এক মানুষ হইতে অন্য  মানুষের ভিন্ন।কাহারও রক্তের মধ্যে এই হেপারিনের পরিমান খুব কম থাকলে তখন তাহার দেহের রক্ত নালীর মধ্যে কিচিৎ রক্ত জমাট বেধেঁ জটিল পালমোনারী এম্বোলিজম রোগ সৃষ্টি করতে পারে।     দেহের মধ্যে ধমনী বা  শিরার ভিতর দিয়ে রক্ত  যেন নিরবিছিন্ন বা রক্ত জমাট না বাধাটা যেমন জরুরী তেমনি দেহের কোন অংশ কাটিয়া গেলে সেই অংশে যখন রক্ত বের হতে তখন সেই অংশে রক্ত জমাট বাধাঁ আত্যান্ত জরুরী। এই রক্ত জমাট বাধার জন্য কতকগুলো ফ্যাক্টর অত্যান্ত প্রয়োজন যা দেহের মধ্যে উপস্তিত থাকে এবং বংশানূএমিক ভাবে স্হানান্তর হয় ।                যদি কাহারও দেহে রক্ত জমাট বাধাঁর ফ্যাক্টর কম থাকে তখন তাহার দেহের কোন অংশ কাটিয়া গেলে রক্ত বের হয়ে মারাও যেতে পারে।এই রোগটা সাধারনতঃপুরুষের বেশী হয়ে থাকে।এই রোগের রোগীর মধ্যে ৮৫ শতাংশ ই পুরুষ ...

অনিয়মিত মাসিক কি

অনিয়মিত  মাসিক হচ্ছে  যখন  মেয়েদের মাসিক  প্রতিমাসে  নিয়মিত  ভাবে সংঘটিত  না  হয়ে প্রতি মাসে  একাধিক বার সংঘটিত হয় বা কোন কোন  মাসে মাসিক সংঘটিত হয় না অথবা মাসিক অবস্হ্যায় প্রচন্ড ব্যাথাা অনুভূত হয় অথবা মাসিক পিরিয়ডে  ৪ থেকে  ৭  দিিন পযন্ত রক্ত বেের হয়   তখন তাকে অনিয়মিত  মাাসিক  বলে।                            নিন্মে বিভিন্ন প্রকার  অনিয়মিত মাসিকেের  বিবরন দেওয়া হল অ্যাম্যানরিয়া    ঃ যখন  কোন মেয়ের   মাসিক  নিয়মিত ভাবে হওয়ার পর কোন মাসে  অনূপস্হিত  হয় তখন তাকে অ্যাম্যানরিয়া বলে। ডিসম্যানরিয়া    ঃযখন মাসিক অবস্হ্যাকালিন  রক্ত বেরহওয়ার সময় প্রচন্ড ব্যাথা অনূভুত হয় তখন তাকে ডিসম্যানরিয়া বলে। পলিম্যানরিয়া   ঃ যখন কাহারও যদি এক মাসে একাধিক বার রক্ত বের হয় বা একাধিক বার মাসিক হয় তখন তাকে পলিম্যানরিয়া বলে। ম্যাটরোজিয়া/ম্যানরোজিয়া  ঃযখন কাহারও মাসিক ...

হাটের্র ঝুকি কমাতে কি করনীয়

 হাটের্র মধ্যে সমস্যা বা হাট' এট্টাক হার প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে আমাদের দেশে। হাট' এট্টাক মহিলাদের চেয়ে পুরুষের বেশী হইয়া থাকে।সাধারনত চল্লিশাধো' বয়সের পর হইতে  হাট' এট্টাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশী তব এখন সব বয়সেই হাট' এট্টাক হয়ে থাকে।সচেতঁন ভাবে জীবনযাপন করলে  হাট' এট্টাক হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমানো যায়।  হাটের্র ঝুকি কমাতে যা করনীয়ঃ              ১।ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন পরিত্যাগ করতে হবে।              ২।শরীর যাতে মোটা বা স্হূলতা না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখূন।দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য বজায় রাখূন।             ৩।নিয়মিত শারিরীক চচা' বা ব্যাাম করুন।             ৪।শরীরের মধ্যে অন্য কোন রোগ থাকলে ঐ রোগ গুলো থেকে নিজেকে সারিয়ে তুলুন।             ৫।মানসিক  ভাবে চাপমুক্ত থকার অভ্যাস করুন।            ৬।নিয়মিত নামাঁজ পড়ুন তাহলে দেখবেন হাটে্র্র সমস্যা অনেকাংশে থকবে না। ...

খাদ্য নালির ক্যান্সারের কারন ও লক্ষন গুলি কি কি?

আমরা অন্ননালি বা খাদ্যনালি বলতে বুঝি গলার মধ্য স্হান হইতে পাকস্হলি পয'ন্ত,ইহাকে ইসোফ্যেগাস বলে।ইসোফ্যেগাসের কোন অংশে মারাত্নক ধরনের ক্ষতের সৃস্টি হইলে এবং ঐ ক্ষতে অস্বাভাবিক কিছু সেল গঠন বা তৈরী হইলে তাকে খাদ্য নালির ক্যান্সারের বা  ইসোফ্যেগাস ক্যান্সার বলে। ইসোফ্যেগাস ক্যান্সার মহিলাদের চেয়ে পুরুষের বেশী হয়।পৃথিবীতে ক্যান্সারের কারনে যত লোক মারা যায় তন্মে্ধ্যে ইসোফ্যেগাস ক্যান্সারের কারন সষ্ট(৬ তম)। ইসোফ্যেগাস ক্যান্সারের প্রধানতম কারন ধূমপান ও মদ পান এছাড়া ও অন্য যে সকল কারন রয়েছে ঃ ভেজল খাদ্যগ্রহন। অতিরিক্ত মসলা জাতীয় খাদ্য গ্রহন। জদা'পাতা মূখে রাখা।  মোটা হওয়া বা মেদ বৃদ্বি পাওয়া। দীঘ'দিন বুক জ্বালা পোড়া করা। বংশগত কারন। তীব্র রেডিয়েশনে আক্রান্ত। আবহাওয়া বা ভৌগলিক কারন অনেকাংশে দায়ী।  খাদ্য নালির ক্যান্সারের লক্ষনঃ খাবার গিলতে বা গলধকরনে খুবই কস্ট হয়। দ্রুত দেহের ওজন কমতে থাকে। গলার স্বর বসে যায় অথবা কক'শ হয়ে যায়। বুক জ্বালাপোড়া এবং বুক ব্যাথা হয়। দেহ দিরে দিরে দূব'ল হয়ে যায়। দেহে জ্বর জ্বর ভাব হয়। ক্ষুধাহীনতা । প্রায়ই...

মুখে ও ঠোঁটে বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমন

আমাদের মুখে ও ঠোঁটে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের সংক্রমন হতে পারে।তবে মুখের মধ্যে সাধারনত হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস এবং হারপিস জসটার ভাইরাস ই বেশী সংক্রমন করে থাকে।হারপিস এক ধরনের ডি এন এ ভাইরাস যা প্রধানত লালা এবং শরীরের অন্যান্য নিঃসৃত দেহ রসের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়ে থাকে।   হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস  সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যেমন-১ ।হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-১          ২।হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-2 হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস দ্বারা প্রাথমিক সংক্রমনের ক্ষেএে মাড়ি ও ঠোঁটে প্রদাহ দেখা দিতে পারে যা জিনজাইভো স্টোমাইটিস নামে পরিচিত।অনেক সময় শিশুদের ক্ষেএে মাড়িতে প্রদাহের কারনে মাড়ি ফুলে যায় মনে হয় দাতঁ উঠবে।হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস মূলত লালার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়ে থাকে।ডেন্টাল সাজ'নদের মধ্যে যারা হ্যান্ডগ্লোবস ছাড়া রোগী দেখেন তাদের ক্ষেএে হাতের আঙ্গুলে হুইটলো হতে পারে,যা হারপেটিক হুইটলো নামে পরিচিত। হুইটলো হলে আঙ্গুল ফুলে যায় এবং ব্যথা হয়। হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস আক্রমনের দ্বিতীয় কারনগুলো হচ্ছে - ১।আঘাতের কারনে হতে পারে। ২।সূযে'র আলোতে বারব...

মুখের মধ্যে দূগ'ন্দ্বের কারন।প্রতিরোধ ও চিকিৎসা।

মানুষের মুখের দূগন্দ্ব অত্যন্ত বিড়ম্বনার  কারন ।মানুষের  মুখের  দূগন্দ্ব   মূখের   অভ্যন্তরে নানা প্রকার রোগ রোগ ছারা ও দেহের অন্যান রোগের কারনে সৃষ্টি হয়ে থাকে। যেসব কারনে   মূখের মধ্যে  দূগন্দ্ব সৃস্টি হয়ে থাকে ।তা হলঃ মাড়ি রোগ বা একিউট নেকরোটাইজিং আলসারেটিভ বা জিনজািভাইটিস বা পচনশীল ঘা যুক্ত মাড়ির প্রদাহ। পেড়িওডেেন্টাল রোগ ঃএ রোগে অসংখ্য অন্যোরোবিক ব্যাকটেরিয়া মূখের মধ্যে দূগন্দ্বের সৃস্টি করে। মূখের  অভ্যন্তরে কৃএিম দাঁত যদি একরাইলিক জাতীয় হয়ে থাকে তাতে মূখের   অভ্যন্তরে   দূগন্দ্বের সৃস্টি করে।এমনকি,কৃএিম দাঁতের সঠিকভাবে যত্ন না নেওয়া হয় তাহলেও মুখে দূগন্দ্ব হতে পারে। দাতেঁ ক্ষয়রোগে মুখে দূগন্দ্ব হতে পারে। ইমপ্যাকটেড টুথ বা প্রতিবন্দ্বকতাপ্রাপ্ত দাতেঁর কারনে মুখে দূগন্দ্ব হতে পারে। অভ্যাসগত কারনেও  মানুষের মুখের দূগন্দ্ব হয়ে থাকে।যে সব  অভ্যাসগত কারনে  মানুষের মুখে দূগন্দ্ব হয়ে থাকে।তা হলঃ ধূমপানের কারনে। গুল জাতীয় নেশা দ্রব্য ব্য...

সায়াটিকা কি.ইহার কারন ও লক্ষন কি কি এবং প্রতিকার।

আমাদের দেহের মধ্যে বিভিন্ন নাভ' বা স্নায়ু রয়েছে,আমাদের শরীরে সায়টিক নামের একটি নাভ' বা স্নায়ু রয়েছে যার অবস্হান মেরুদন্ডের লাম্বার স্পাইনের শেষ দিকের কশেরুকা বা ভাটিব্রারা এল ৩ ৪ ৫ এবং সেকরাল স্পাইনের এস ১ কশেরুকা বা ভাটিব্রারা থেকে উরুর পিছন দিক দিয়ে হাটুঁর নিচের মাংশপেশীর মধ্যে দিয়ে পায়ের আঙ্গুল পয'ন্ত বিস্তৃত।ইহা দেহের সবচেয়ে বড় নাভ' বা স্নায়ু ।যখন কোনো কারনে এই নাভ' বা স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে তখন এই নাভ' বা স্নায়ুর ডিস্টিবিউশন অনুযায়ী ব্যাথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়িয়ে যায়,এটিকে মেডিক্যালের পরিভাষায় সায়টিকা বলে। সায়টিকার লক্ষণঃ ১।প্রচন্ড কোমর ব্যাথা। ২।ব্যাথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়িয়ে যায়। ৩।অনেকক্ষেএে কোমর ব্যাথা থাকে না কিন্তু উরুর পিছন দিক হইতে শুরু করে হাটুর নিচের মাংসপেশীর মধ্যে  বেশী ব্যাথা করে। ৪।বিশ্রামে থাকলে বা শুয়ে থাথলে ব্যাথা কম লাগলে কিন্ত খানিকক্ষন দাড়িয়ে থাকলে বা হাটলে ব্যাথা বেড়ে যায়। ৫।আক্রান্ত পা অবশ অনুভূঁত হয়। ৬।আক্রান্ত পায়ে কখনো কখনো জ্বালাপোড়া হয়। চিকিৎসাঃ সায়াটিকা রোগে চিকিৎসার পাশাপাশি সম্পূন' বিশ্রামের প্রয়োজন।রোগীর ...

ষ্টোক কি । মস্তিস্কে কেন ষ্টোক হয় ।

সারা বিশ্বে পরিসংখানে দেখা গেছে ষ্টোকজনিত মৃত্যুর সংখ্যা তৃতীয় এবং ষ্টোকের কারনে স্নায়ুজনিত অক্ষমতার অবস্হান।।মেডিকেল এর ভাষায় ষ্টোককে সেরেব্রোভাস্কুলার ডিজিজ বলে।       মস্তিস্কে সাধারনতঃদুই ধরনের ষ্টোক হয়ে থাকে ।       যেমনঃ ১। ইস্কেমিক ষ্টোক  ঃ-যেখানে  মস্তিস্কের মধ্যকার ধমনিগুলোতে রক্ত  চলাচল কম করে।                  ২ ।হেমরেজিক ষ্টোকঃ-যেখানে   মস্তিস্কের মধ্যকার ধমনীগুলো ছিড়ে রক্তক্ষরন হয়।           মস্তিস্কে কেন ষ্টোক হয়  ঃ মস্তিস্কে  বা ব্রেন ষ্টোক নানাবিধ কারনে । যেমনঃ১ ।অনিয়ন্তিত উচ্চ রক্তচাপ   অনিয়ন্তিত ডায়বেটিস হাইপারলিপিডিমিয়া বা আথেরস্কেলরসিস।          ২।অবেসিটি বা অতিরিক্ত্ ওজন, ধূমপান, মানসিক দুঃশ্চিন্তা,  নিদ্রাহিনতা ,এথেরঅ্যাম্বলিজম বা কারডিও অ্যাম্বলিজম  ।         ৩।ব্রেন টিউমার হেড ইনজুরী বা আঘাতজনিত মেনিনজাইটিস এইচআইভি হেমাটোলজিক্যাল ডিস অডার। ...

ডিপ্রেসন বা বিষন্নতা কি।ইহার লক্ষনগুলি কি কি

ডিপ্রেসন বা বিষন্নতা হচ্ছে এমন একটি নন প্যাথজনিক রোগ যখন মানুষের মনের মধ্যে নেগেটিব দূঃখ বা অনূভবের সৃষ্টি যার ফলে আক্রান্ত ব্যত্তি যেকোন আনন্দ হইতে দুরে থাকে এবং সবসময় একাকি থাকতে পছন্দ করে।ডিপ্রেসন বা বিষন্নতায় আক্রান্ত ব্যত্তি যেকোন কাজ করতে আগ্রহ হারিয়ে ফলে।মূলতঃ স্বাভাবিক জীবন যাপনের যে সকল কাজ করা উচিৎ সেই সকল কাজের প্রতি মন সংযোগ করতে পারে না উদাসিন থাকেন। ডিপ্রেসন বা বিষন্নতা মেয়েদের চেয়ে পুরুষের মধ্যে বেশি হয়ে থাকে। ডিপ্রেসন বা বিষন্নতা সাধারনত  পুরুষের মধ্যে বয়ঃসন্দ্বি কালের সময় যখন মনের মধ্যে আবেগ বৃদ্বি পায় তখন কোন কারনে আবেগের মধ্যে আঘাত পাইলে তা দ্রুত বিষন্নতায় রুপ ধারন করে।আবার অনেক সময়  পুরুষ এন্ডোপজে পতিত হইলে আথাৎ টেসটোসটেরন হরমোনের পরিমান হ্রাস পাইলে তখন  পুরুষের সেক্স করার আগ্রহ কমে যায় অথাৎ লস অব লিবিডো হয় তখণ  পুরুষ  ডিপ্রেসন বা বিষন্নতা ভোগে। ডিপ্রেসন বা বিষন্নতার লক্ষনগুলি নিন্ম রুপঃ সবসময় দূঃখ অনূভব করা বা দূঃখ ভারাক্লান্ত ভাবে থাকা। যেকোন আনন্দের কাজে অনাগ্রহ হওয়া। সব সময় একাকি থাকতে থাকতে পছন্দ করা। সব সময় মনের মধ্যে বেচ...

সায়টিিকা পেইন কি।ইহার লক্ষন গুলি কিকি।এবং ইহার চিকিিৎসা।

আমাদেের দেহের মধ্যে   বিভিন্ন প্রকার নার্রভ বা স্নায়ু রয়েছে তাদেের মধ্যে সাায়টিক নামের এক প্রকার নার্রভ বা  স্নায়ুুু রয়েছে যা দেহের  মধ্যে সবচেয়ে দীঘ্।এই    সাায়টিক না্র্রভের অবস্হান  আমাদের মেরুদন্ডের লাম্বার স্পাইনের শেষ দিকের কশেরুকা বা ভাট্টিব্রা এল ৩, ৪, ৫ এবং সেকরাল  স্পাইনের   এস ১  কশেরুকা বা  ভাট্টিব্রা থেকে উরুর পিছন দিক দিয়ে হাটুর মাংসপেশির মধ্যে দিয়ে পায়ের আঙ্গুল পযন্ত  বিস্তৃত।যখন কোন কারনে এই নার্রভ আঘাত প্রাপ্ত হয় তখন তা কোমড় হইতে ব্যাথা  দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।এটিকে মেডিক্যালের পরিভাষায় সায়টিকা বলে। সায়টিকার লক্ষন  কোমর হইতে ব্যাথা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে কোমড়ের মধ্যে হঠাৎ বিদ্যুৎ স্ফুলিঙ্গের মত ব্যাথা অনুভূত হয়।

লিভার সিরোসিসের

লিভার মানুষের দেহের একটি গুরুত্বপূন' অঙ্গ।লিভার সিরোসিস ইহা ক্যান্সার জাতীয় কোন রোগ নয়।লিভার সিরোসিস মানব দেহের একটি জটিল (ক্রনিক) সমস্যা।এই রোগে লিভার এর আকিটেকচার বা স্বাভাবিক কায'ক্ষমতা নস্ট হয়ে যায়। এই রোগের শুরতে সনাক্তকরন এবং চিকিৎসা নিতে পারলে এই জটিল রোগ হইতে ভাল হওয়া যায়।তবে শুরুর দিকে ঠিকমত  সনাক্তকরন এবং চিকিৎসা নিতে ন পারলে বা অবহেলা করলে লিভার সিরোসিস ক্যান্সারে রুপ নিতে পারে। অনেক সময় লিভার সিরোসিস এর শুরুতে সনাক্তকরন সম্ভব হয় না।এমনকি লিভার সিরোসিস আক্রান্ত কিছু রোগী বহু বছর পয'ন্ত কোনো লক্ষন ছাড়াই বহু বছর স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে।লিভার সিরোসিস রোগের শুরুতে তেমন কোন লক্ষন থাকে না বললেই চলে। লিভারের কোষের ক্ষয় এবং টিস্যুর অস্বাভাবিক বৃদ্বি কিংবা লিভারে যদি দীঘ'মেয়াদি কোনো প্রদাহ হয়,তাহলে এর কারনে লিভারে যে ফাইব্রোসিস এবং নূডিউল বা গুটি গুটি আকৃতি বস্তু তৈরী হয় এটিকেই আমরা  লিভার সিরোসিস বলি। সাধারনত ভারাসজনিজ কারনে লিভার সিরোসিস হয়।কিছু ভাইরাস যেমন হেপাটাইটিস বি,হেপাটাইটিস সি এর প্রধানত  লিভার সিরোসিস হয়ে থাকে।তাছাড়া লিভারে অতিমাএায় রক্ত ...

শ্বাসনালির ক্যান্সার কি।ইহার লক্ষণগুলি কি কি।চিকিৎসা ও প্রতিরোধ।

ব্রংকাই (Bronchi) বা শ্বাসনালির বাহিরের আবরনে বা ইহার যেকোন অংশে প্রথমে ফ্রাইবয়েড ধরনের টিউমার তৈরী হয় এবং ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক ধরনের কোষ সৃষ্টি হতে থাকে ইহাই  শ্বাসনালির ক্যান্সার বা ব্রংকাইজেনিক কারসিনোমা ,প্রকৃতপক্ষে ইহা এক প্রকার ফুসফুসের ক্যান্সার। ২ ধরনের শ্বাসনালির ক্যান্সার দেখা যায়ঃ ১।Small cell lung cancer ঃ শ্বাসনালির ক্যান্সারের  আক্রান্তদের মধ্যে এই প্রকার রোগীর সংখ্যা ১৫ শতাংশ। ৩।Non  Small cell lung cancerঃ শ্বাসনালির ক্যান্সারের   আক্রান্তদের মধ্যে এই প্রকার রোগীর সংখ্যা ৮০ শতাংশ। শ্বাসনালির ক্যান্সারের কারনসমূহঃ ১।সাকোসিস। ২।সোরা। ৩।সিফিলিস।                 এছাড়াও আরও কিছু কারন রয়েছে যেমনঃবংশগত ইতিহাস থাকলে,অতিরিক্ত ধূমপান,মদপান এবং তামাক পাতা গ্রহন করিলে।ধূমপায়ীর ধোয়ার কারে অধূমপায়ীদের হতে পারে।বিষাক্ত গ্যাস শ্বাস নালিতে প্রবেশ করিলে।ভেজাল মিশ্রিত খাবার গ্রহন করিলে।ভেজাল বা মেয়াদোউত্তীণ' ঔষধ গ্রহন করিলে।সূযে'র অতি বেগুনী রশ্মীর প্রভাব এবং রাববার X-ray,CT Scan, Ultra s...

শীংলেস কি (Shingles) কি।ইহর লক্ষণগুলি কি

শীংলেস  (Shingles) একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ।চিকেন পক্স(chicken pox) রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস varicella zoster ।আবার এই varicella zoster ভাইরাসের দ্বারাই শীংলেস  (Shingles) ত্বকের রোগ হয়। এই varicella zoster ভাইরাসের ত্বকের উপর সংক্রমনের ফলে প্রচন্ড ব্যাথাযুক্ত ফুসঁকূড়ি ওঠে।এই শীংলেস  (Shingles)  ফুসঁকূড়ি দেহের যেকোন অংশে ঘটতে পারে।সাধারনত দেহের ধরের বাম পাশে অথবা ডান পাশে এই শীংলেস  (Shingles) একক ডোরাযুক্ত ফোস্কা   বা ফুসঁকূড়ি সৃস্টি করে।      যাদের varicella zoster ভাইরাসের সংক্রমনের ফলে  চিকেন পক্স (chicken pox) রোগ হয়েছে,এই রোগটি থেকে সেরে বা ভালহয়ে ওঠলেও এই রোগের ভাইরাস অসক্রিয় অবস্হ্যায় দেহের মধ্যে স্নায়ুকোষে বা শুশ্মমাকান্ড(Spinal cord) এর মধ্যে  লুকায়িত থাকে দীঘ'দিন।দীঘ'দিন পর লুকায়িত অবস্হ্যা থেকে সক্রিয় হয়ে সংক্রমন করে শীংলেস  (Shingles)  সৃস্টি করে। সাইনলেস রোগের লক্ষন ১।প্রচন্ড জ্বালাপোড়া হয়। ২।ফোস্কা বা ফুসকূরি পড়ে। ৩।মাথাব্যাথা হয়। ৪।জ্বর আসে। ৫।অবসাধ আসে। ৬।ব্যথা হয়। ৭।ফুসকূড়ি লালচে বন' ধারন ক...

একজিমা কি? ইহার লক্ষন ও কারন গুলি কি কি

একজিমা একটি বিশেষ ধরনের অসংক্রমক চম' রোগ বা প্রদাহ যা বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীন উত্তেজকের প্রভাবে ঘটে থাকে প্রাথমিক অবস্হায় ত্বকে ছোট ছোট গুটি বা ফুসকুরি দেখা যায় যা পানি জাতীয় তরল পদাথ' দ্বার পূন' বা শুকনো  থাকে ।এই ফুসকূরি গুলোতে প্রচন্ড চুলকানি থাকে যার ফলে চুলকাতে  চুলকাতে অনেক সময় রক্ত বের হয়ে সে।পূরাতন বা স্হায়ী অবস্হায় অক্রান্ত স্হানের চামড়া বা ত্বক পুরু হয়ে যায় এবং রং পরিব'তন হয়।একজিমা দ্বারা যেকোন বয়সের মানুষ অক্রান্ত হতে পারে। একজিমার লক্ষনঃ একজিমার ্স্হ্যায়িত্ব কালের উপর ভিত্তি করিয়া এর লক্ষনের মধ্যে কিছু পাথ'ক্য দেখা যায়।  স্হ্যা য়িত্ব কালের উপর ভিত্তি করিলে দুই ধরনের একজিমা দেখা যায়। একিউট বা তরুন একজিমা এবং ক্রনিক বা পূরাতন একজিমা একিউট বা তরুন একজিমার লক্ষণসমুহঃ            ১।প্রচন্ড জ্বালা পোড়া ও ব্যাথাসহ চূলকানি।            ২।ছোট ছোট ফুসকুরি পানিসহ বা পানি ছাড়া এবং অনেক সময় বড় বড় পানিসহ ফুসকুরি হতে পারে।            ৩।আক্রান্ত স্হান চূলকানির ফলে লাল...

ক্ল্যলামাইডিয়া কি? ইহার লক্ষনগুলি কি কি?ইহার চিকিৎসা

যত প্রকারের যৌন রোগ আছে তার মধ্যে  ক্ল্যলামাইডিয়া(chlamydia) রোগটি সাধারনত বেশী মানুষের হয়ে থাকে।অরক্ষিত ও অবাধ যৌন সঙ্গমের কারনে এই রোগটি বেশী হয়।এই রোগটির লক্ষন প্রাথমিক অবস্হ্যায় বুঝা যায় না বিধায় রোগটি জন্য দায়ী ব্যকটেরিয়া দ্রততর একজন থেকে অরেক জনের দেহে প্রবেশ করে। ক্ল্যলামাইডিয়া(chlamydia)  একটি ব্যাকটেরিয়া  (chlamydia trachomatis)  দ্বারা সংএমিত রোগ,যা অরক্ষিত যৌন সম্পকের মাধ্যমে একজন আক্রান্তকারির দেহ হইতে আরেকজনের সুস্হ্য দেহ আএান্ত হয়।এছাড়াও সংক্রমিত গভ'বতী মায়ের কাছ থেকে সন্তানের দেহেও আক্রান্ত হতে পাে।   ক্ল্যলামাইডিয়া(chlamydia) ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংএমিত রোগির লক্ষণ আএান্ত হওয়ার অনেক দেরিতে প্রকাশ পায়।তাই রোগি প্রাথমিক অবস্হায় বুঝিতে পারেনা ।পরে শরীরের মধ্যে নানা ধরনের জটিলতা দেখা যায়।বিশেষ করে মহিলাদের সন্তান সম্ভাবভা হতে বাধাগ্রস্হ্য করে। ক্ল্যলামাইডিয়া(chlamydia)  ব্যাকটেরিয়া যৌন সম্পক' দ্বারা সংএমিত হয় বিধায় ইহাকে এস টি আই(STI) বলে। ১।প্রশাব বা মূএ নিঃসরনের সময় জ্বালাপোড়া করে। ২।হলুদাভ বা সবুজাভ বস্তু পেনিস বা ভ্যা...