সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সায়াটিকা কি.ইহার কারন ও লক্ষন কি কি এবং প্রতিকার।

আমাদের দেহের মধ্যে বিভিন্ন নাভ' বা স্নায়ু রয়েছে,আমাদের শরীরে সায়টিক নামের একটি নাভ' বা স্নায়ু রয়েছে যার অবস্হান মেরুদন্ডের লাম্বার স্পাইনের শেষ দিকের কশেরুকা বা ভাটিব্রারা এল ৩ ৪ ৫ এবং সেকরাল স্পাইনের এস ১ কশেরুকা বা ভাটিব্রারা থেকে উরুর পিছন দিক দিয়ে হাটুঁর নিচের মাংশপেশীর মধ্যে দিয়ে পায়ের আঙ্গুল পয'ন্ত বিস্তৃত।ইহা দেহের সবচেয়ে বড় নাভ' বা স্নায়ু ।যখন কোনো কারনে এই নাভ' বা স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে তখন এই নাভ' বা স্নায়ুর ডিস্টিবিউশন অনুযায়ী ব্যাথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়িয়ে যায়,এটিকে মেডিক্যালের পরিভাষায় সায়টিকা বলে।
সায়াটিকা


সায়টিকার লক্ষণঃ

১।প্রচন্ড কোমর ব্যাথা।

২।ব্যাথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়িয়ে যায়।
৩।অনেকক্ষেএে কোমর ব্যাথা থাকে না কিন্তু উরুর পিছন দিক হইতে শুরু করে হাটুর নিচের মাংসপেশীর মধ্যে  বেশী ব্যাথা করে।
৪।বিশ্রামে থাকলে বা শুয়ে থাথলে ব্যাথা কম লাগলে কিন্ত খানিকক্ষন দাড়িয়ে থাকলে বা হাটলে ব্যাথা বেড়ে যায়।
৫।আক্রান্ত পা অবশ অনুভূঁত হয়।
৬।আক্রান্ত পায়ে কখনো কখনো জ্বালাপোড়া হয়।

চিকিৎসাঃসায়াটিকা রোগে চিকিৎসার পাশাপাশি সম্পূন' বিশ্রামের প্রয়োজন।রোগীর অবস্হ্যা বিবেচনা করে দিনে ২ থেকে ৩ বার করে ২/৩ সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি করা যেতে পারে।
চিকিৎসকের পরামশ' অনুযায়ী থেরাপিউটীক ব্যায়াম করা যেতে পারে।
কিছু কিছু সাবাধানতা অবলম্বন করে চলতে হবে।


  •  সামনের দিকে ঝুকে ভারী কাজ করা যাবে না।
  • ভারী বস্তু তোলা বা বহন করা যাবে না।
  • শক্ত বিছানায় ঘুমাতে হবে।
  • ভ্রমন ও হাটচলার সময় লাম্বার করসেট ব্যবহার করতে হবে। 

মন্তব্যসমূহ