সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ম্যানোপজ (মাসিক বন্দ্ব) কি? ম্যানোপজের লক্ষন গুলি কি কি?

ম্যানোপজ শদ্বটি আসিয়াছে ,ম্যানো-ম্যানোস্টোশন (Menostuction) যার   অথ'-মাসিক , আর পজ(Pause)-অথ;-বন্দ্ব অথাৎ -যখন মহিলাদের  (Women) মাসিক স্হায়ীভাবে বন্দ্ব হয়ে যায় তাকে ম্যানোপজ বলে। ম্যানোপজ সাধারনতঃ আমাদের দেশ (বংলাদেশ) ,ভারত,মায়ানমার ,পাকিস্হান মহিলাদের ৪৫ থেকে ৫০ বৎসরের মধ্যে সংঘটিত হয়ে থাকে।তবে কিছু ব্যতিঞম হয়।জাপানী মহিলাদের মাসিক বন্দ্ব অথাৎ ম্যানোপজ হয় সবচয়ে বেশি(৬০-৬৫ বছর) বযসে।জাপানী মহিলাদের গড় আযূ ৯০ বৎসর।           ম্যানোপজ অবস্হ্যায় পতিত হওয়ার অথ মহিলার ডিম্বাশয়ে ডিম্ব বা ওভাম উৎপন্ন স্হায়ীভাবে বন্দ্ব হওয়া ।যার শাদ্বিক অথ ঐ মহিলা চিরতরে সন্তান্ জন্ম ধারনে অক্ষমতায় পৌছায়।   এ কজন মহিলা যখন ম্যানোপজ অবস্হ্যায় পৌছে বা পতিত হয় তখন তাহার দেহের মধ্যে নানা ধরনের জটিলতা (Complication) দেখা যায় যাহা আমরা জানিনা বলে ইহার সাথে খাপ খেয়ে চলতে পারিনা আবার এই আমাদের দেশে মানোপজাল ওমেন বা এন্ডোপজাল পুরুষের জন্য নেই কোন পরামশ' কেন্দ্র ।যাহার ফলে ম্যানোপজাল মহিলা বা এন্ডোপজাল পুরুষের কিছু কিছু লক্ষনকে তাদের দোষ বা চরিএ বলে মূল্যায়...

উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) কি? উচ্চ রক্তচাপের লক্ষন গুলি কি কি?

উচ্চ রক্তচাপকে অনেক সময় হাইপারটেনশনও বলা হয়।আমাদের  দেহে রক্ত সঞ্চালন মূলতঃ ধমনী ও শিরা দ্বারা প্রবাহিত হয় ও দেহ কোষ হইতে সংগ্রহিত হয় এবং হ্রদপিন্ড পাম্প যন্ত হিসেবে কাজ করে।এক্ষেেএে ধমনী ওশিরা দেহের মধ্যে নালী বা টিউব বা ক্যানেল হিসাবে সারা দেহের মধ্যে বিস্তৃত ।মানুষ সুস্হ্যভাবে বেচেঁ থাকার জন্য রক্ত চাপ অত্যাবশ্বকীয়।তবে এই রক্তচাপ হতে আদশনীয় বা মিনিম্যাল মাএায়।                                                                ধমনী ও শিরার মধ্যে দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার জন্য এদের রয়েছে নিদৃ্ষ্ট পুরুত্ব বা ফাকা অংশ ।নানাবিধ কারনে ধমনী বা শিরার ভিতরের ফাপা অংশের আয়তন কমতে থাকে নানাবিধ চবিযুত্ত পদাথ জমা হয়ে ।এই চবিযুত্ত অৎশকে প্লাগ বলা হয়।রক্ত চলাচলের সময় অথাৎ যখন হ্দপিন্ড পাম্প করে তখন বিশুদ্ব রক্ত সঝোরে হ্দদপিন্ড হইতে ধমনীতে প্রবেশ করে তখন ধমনীর পাশ্বদেশ বা প্রাচীর দেয়ালের মধ্যে যে চাপ অনুভূত হয় তাকেই বলে রক্তচাপ । ...

স্তন ক্যান্সার কি? স্তনের ক্যান্সারের চিহ্ন এবং লক্ষন

যখন ক্যান্সার কোষ স্তনের কলার(Tissue) মধ্যে বৃদ্দি পেতে থাকে তখন তাকে স্তন ক্যান্সার বলে।                  এখন  পয'ন্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা নিদিষ্ট কোন কারন বের করতে পারেননি যাহার কারনে স্তন ক্যান্সার হয়ে থাকে তবে অনেকগুলি প্রভাবক(Factor) যে স্তন ক্যান্সার সৃষ্টি হয়।  স্তন ক্যান্সারের বিস্তারনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকার স্তন   ক্যান্সার দেখা যায়।

ঘরোয়া পদ্বতিতে কিভাবে দাতের ব্যথা দূর করবেন

এ মন কোন মানুষ খুজে পাওয়া যাবে না যে জীবনে একবার ও দাতের ব্যাথায় ভোগেননি ।আমরা দাতের ক্ষতিগ্রস্হ বা ব্যাথার কারন বোঝতে পারিনা বা জানার আগ্রহ থাকেনা যে পযন্ত না আমরা নিজেরা আঞান্ত হই।আমাদের কাহারও দাত ব্যাথা শুরু হইলে বেশীর ভাগ লোক বলে থাকেন তারতারি ডাত্তারের কাছে যাও এবং দাত ফেলে দাও।কিন্তু ব্যাথা কিভাবে হ্রাস করা যায় তা অনেকে জানেন না।আবার অনেক সময় বিভিন্ন কারনে ডাত্তারের সাক্ষাৎকার সম্ভব হয় না।         তাই নিন্মে কতিপয় ঘরোয়া পদ্বতিতে দাতের ব্যাথা নিরাময়ের /আরোগ্যের কৌশল প্রদত্ত হইল-                 ১.  উষ্ণ লবন মিশ্রিত পানি পদ্বতি ঃ   এই পদ্বতি সবচেয়ে কায'কর এবং সহজ পদ্বতি ।অনেক সময় বেশীর ভাগ ডাত্তার এই পদ্বতি ব্যবহার করতে আদেশ দিয়ে থাকেন।ডাত্তারের কাছে সাক্ষাৎকারের অপেক্ষায় থাকার সময়ও যদি ব্যাথা অনূভুত হয় তখনও ডাত্তার এই পদ্বতি প্রয়োগ করেন ।        উষ্ণ লবন পানি পদ্বতি প্রথমে একটি গ্লাসে ৮ আউন্স পানি নিব (আমরা সাধারনত যেসব গ্লাস বাসায় ব্যবহার করি তার ৭০/৭৫ %প...

হা'ট অ্যাটাক কি? হা'ট অ্যাটাকের লক্ষন সমূহ.

হা'ট অ্যাটাক (Heart Attack)  হচ্ছে কোন কারনে হাটের যেকোন অংশের মাংশপেশীর(Muscle)  কোষের ম্যৃতু যাহা ঘটে থাকে ঐ অংশে অক্সিজেনের(O2) সরবরাহ বন্দ্ব হওয়ার কারনে।ইহা সাধারনতঃ ঘটে থাকে ধমনীতে(Artery) প্লাগ বা কোন রত্ত জমাট (Blood Clot) বাধার কারনে। ১ঃহাট অ্যাটাক সাধারনতঃ কোন কারনে ধমনীতে প্লাগ বা জমাট রত্ত বাধার কারনে ২ঃ ধূমপান ও মদপান ৩ঃঅতিরিত্ত দূঃশ্চিন্তা ও উদ্রেগ সৃষ্টি হওয়া ৪ঃরত্তের মধ্যে হেপারিনের পরিমান কমে গেলে ৫ঃস্হূলতা বা মোটা হওয়ার কারনে ৬ঃহাট অ্যাটাক সাধারনতঃ বয়স বৃদ্দির সাথে সম্ভাবনাও বৃদ্দি পাইতে থাকে।পুরুষের  ক্ষেএে সাধারনত ৪৫ বছরের পর হইতে বৃদ্দি ফাইতে থাকে।আর মহিলাদের ক্ষেএে ৫০ বছরের পর হইতে। হাট অ্যাটাকের লক্ষনসমূহ   ঃ   ১ঃবুমি বুমি ভাব সৃষ্টি হওয়া বা বুমি হওয়া ২ঃবুকে ব্যাথা অনুভূত হওয়া ৩ঃচোখে হঠাৎ ঝাপসা দেখা ৪ঃকাসি ৫ঃনাক দিয়ে পানি বের হওয়া ৬ঃশ্বাস প্রশ্বাস কমে যাবে এবং অনিয়মিত হবে। ৭ঃচেহারা ফ্যাকাশে বণ' ধারন করবে। ৮ঃচেহারা এর মধ্যে আতন্ক সৃষ্টি বা ভয় অনূভুত হয়। ৯ঃশরীরের মধ্যে প্রচুর ঘাম সৃষ্টি হয়। ...

কিভাবে মূখের ব্রন এবং কালো দাগ দূর করবেন।

বয়ঃসন্দ্বি কালে যাদের মূখ তৈলাত্ত তাদের ব্রন হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।ব্রন সৃষ্টি হয় সাধারনত শরীরে হরমোনাল ভারসাম্যের অভাবে।মহিলাদের ইষ্টোজেন এবং পুরুষের টেসস্টোরেন হরমোনের প্রভাবে। সাধারনত ব্রন ও ফুসকুড়ি  সেরে যাওয়ার পর মূখের ত্বকের মধ্যে কালো দাগ সৃষ্টি হয়।সঠিকভাবে পরিচযা ও চিকিৎসা  করলে ব্রন ও কাল দাগের হাপ হইতে রক্ষা পাওয়া যায়।ঞিম বা ঔষধ সেবনের চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল এবং দীঘমেয়াদি ।তাই ঘরোয়া উপায়ে কিভাবে পরিচযা করা যায় তা আলোচনা করা হ আয়ূবেদিক জানাল ফর মেডিকেল সায়েন্সেস এ প্রকাশিত একটি রিপোটে দেওয়া তেমন কতিকয় ঘরোয়া পদ্বতি নিন্মে দেওয়া হল- ক.লেবুর রস সরাসরি মূখের দাগযুত্ত স্হানে লাগিয়ে দিন।১৫-২০ মিনিট পরে পরিস্কার পানি দিয়ে মূখ ধূয়ে ফেলুন।দিনে ২ বার এইভাবে পরিচযা করুন।১ম সপ্তাহ  পরেই কিছু কাযকারিতা লক্ষ্য করা যাবে। লেবুর রস মূলত সাইট্রিক এসিড যা মূখের ত্ব্রকের উপর একপ্রকারের সূরক্ষাকবচ তৈরী করে এবং জীবানু ধ্বংস করে। খ.এক চা চামচ মধুর সাথে এক চা চামচ পাতি লেবুর রস মিশিয়ে নিন।এই মিশ্রন মূখের কাল দাগের উপর হালকা ভাবে লাগিয়ে নিন।তারপর ১৫ ২০ মিনিট পর পর মূখ ধূয়ে ফেলুন। ...