উচ্চ রক্তচাপকে অনেক সময় হাইপারটেনশনও বলা হয়।আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালন মূলতঃ ধমনী ও শিরা দ্বারা প্রবাহিত হয় ও দেহ কোষ হইতে সংগ্রহিত হয় এবং হ্রদপিন্ড পাম্প যন্ত হিসেবে কাজ করে।এক্ষেেএে ধমনী ওশিরা দেহের মধ্যে নালী বা টিউব বা ক্যানেল হিসাবে সারা দেহের মধ্যে বিস্তৃত ।মানুষ সুস্হ্যভাবে বেচেঁ থাকার জন্য রক্ত চাপ অত্যাবশ্বকীয়।তবে এই রক্তচাপ হতে আদশনীয় বা মিনিম্যাল মাএায়।
ধমনী ও শিরার মধ্যে দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার জন্য এদের রয়েছে নিদৃ্ষ্ট পুরুত্ব বা ফাকা অংশ ।নানাবিধ কারনে ধমনী বা শিরার ভিতরের ফাপা অংশের আয়তন কমতে থাকে নানাবিধ চবিযুত্ত পদাথ জমা হয়ে ।এই চবিযুত্ত অৎশকে প্লাগ বলা হয়।রক্ত চলাচলের সময় অথাৎ যখন হ্দপিন্ড পাম্প করে তখন বিশুদ্ব রক্ত সঝোরে হ্দদপিন্ড হইতে ধমনীতে প্রবেশ করে তখন ধমনীর পাশ্বদেশ বা প্রাচীর দেয়ালের মধ্যে যে চাপ অনুভূত হয় তাকেই বলে রক্তচাপ ।
যদি এই রক্তচাপ স্বাভাবিক বা আদশ রক্ত চাপ হইতে কম বা বেশী হয় তবেই তাকে অস্বাভাবিক রক্তচাপ বলে।
এই অস্বাভাবিক রক্তচাপ দুই প্রকার -
উচ্চ রক্তচাপ আমাদের জানার অজান্তেই হঠাৎ করে জীবনের কোন এক সময় প্রকাশ পায়।তাই কোন সময় প্রকাশ পেলে অবহেলা না করে সাবধানতা অবলম্বন করে চলতে হবে।হাই রীচ বা বেশী তৈলযুত্ত খাবার এবং লাল মাংশ যতটা পরিহার করা যায় খাদ্যের তালিকা হতে।
ধমনী ও শিরার মধ্যে দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার জন্য এদের রয়েছে নিদৃ্ষ্ট পুরুত্ব বা ফাকা অংশ ।নানাবিধ কারনে ধমনী বা শিরার ভিতরের ফাপা অংশের আয়তন কমতে থাকে নানাবিধ চবিযুত্ত পদাথ জমা হয়ে ।এই চবিযুত্ত অৎশকে প্লাগ বলা হয়।রক্ত চলাচলের সময় অথাৎ যখন হ্দপিন্ড পাম্প করে তখন বিশুদ্ব রক্ত সঝোরে হ্দদপিন্ড হইতে ধমনীতে প্রবেশ করে তখন ধমনীর পাশ্বদেশ বা প্রাচীর দেয়ালের মধ্যে যে চাপ অনুভূত হয় তাকেই বলে রক্তচাপ ।
যদি এই রক্তচাপ স্বাভাবিক বা আদশ রক্ত চাপ হইতে কম বা বেশী হয় তবেই তাকে অস্বাভাবিক রক্তচাপ বলে।
এই অস্বাভাবিক রক্তচাপ দুই প্রকার -
- উচ্চ রক্তচাপ - যখন রক্তচাপ আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় এর চেয়ে বেশী চাপ রক্ত নালীতে অনুভূত তখন তাকে উচ্চ রক্ত চাপ বলে।
- নিন্ম রক্ত চাপ-যখন রক্তচাপ আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় এর চেয়ে কম চাপ রক্ত নালীতে অনুভূত তখন তাকে নিন্ম রক্ত চাপ বলে।
উচ্চ রক্তচাপ আমাদের জানার অজান্তেই হঠাৎ করে জীবনের কোন এক সময় প্রকাশ পায়।তাই কোন সময় প্রকাশ পেলে অবহেলা না করে সাবধানতা অবলম্বন করে চলতে হবে।হাই রীচ বা বেশী তৈলযুত্ত খাবার এবং লাল মাংশ যতটা পরিহার করা যায় খাদ্যের তালিকা হতে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন