অস্টিওপোরোসিস একটি নিরব ঘাতক রোগ।অস্টিও এসেছে অস্হি(Bone) আর পোরোসিস এসেছে পোর বা ছিদ্র হইতে। আমাদের দেহ বিভিন্ন প্রকার অস্হি বা হাড় দ্বারা গঠিত।দেহের মধ্যে অস্হি বা হাড়ের বৃদ্বি নিভ'র করে হরমোনের উপর যা দেহের মধ্যে বিভীন্ন্ বয়সে বিভিন্ন মাএায় থাকে। অস্টিওপোরোসিস ছেলে বা মেয়ে যখন শিশু অবস্হায় থাকে তখন তাদের দেহের হাড় দ্রুত বৃদ্বি থাকে দ্রুত ক্যালসিয়াম জমাকরনের মাধ্যমে এই ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস হচ্ছে দুধ।এই অস্হি বা হাড় সাধারনতঃ ২৫ বছর পযন্ত বৃদ্বি পেয়ে ।তারপর ২৫ থেকে ৩৫ বছর পযন্ত হাড়ের মধ্যে ক্যালসিয়াম জমে আরও মজবুত হয়ে থাকে।তারপর ৩৫ থেকে ৪৫ বছর পযন্ত একটা স্হিতিবস্হায় থাকে। মহিলাদের সাধারনতঃ৪৪ থেকে ৪৮ বৎসরের মধ্যে তাদের মাসিক বন্দ্ব হয়ে যায় যাকে ম্যানপোজ বলে।মহিলারা যখন ম্যানপোজ অবস্হ্যায় পৌছে তখন তাদের দেহের অস্হি বা হাড় হইতে দ্রুত ...
বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা এখন একটি প্রকট সম্যসা।ইহা একটি বিশ্বব্যাপী সম্যসা ।সবচেয়ে বেশী এই সম্যসা দেখা যায় জাপন এবং সুইডেনে এর অন্যতম লেট মেরিজ বদেরিতে বিবাহ।সারা বিশ্বে প্রতি ছয ৬ দম্পতির মধ্যে ১ দম্পভির মধ্যে বন্দ্ব্যাত্ব দেখা যায়। যখন কোন দম্পতি দীঘ' এক বছর যাবৎ চেষ্টা করার পরও কোন কনসিভ হয় না তখন তাকে বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা বলে। বন্দ্ব্যাত্বের কোন নিদৃষ্ট কারন নেই আবার এমন কিছু জৈবরাসয়ানিক কায' রয়েছে যা না ঘটলে বাচ্চা জন্মধারন করা কোন ভাবেই সম্ভব না। যেমন মাসিক না হলে তো কোনভাবেই সম্ভব না।আবার মাসিক হলেই চলবে না মাসিক নিয়মিত হতে হবে। বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা সধারনতঃ মহিলাদের মধ্যে বেশি হয়ে থাকে ।তবে পুরুষেরও বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা হয়ে থাকে । যদি কোন মহিলার বন্দ্ব্যাত্ব হয় ।তা হওয়ার সম্ভ্যাব কারনগুলি নিন্মে প্রদত্ত হল৷ মহিলাদের বন্দ্ব্যাত্ব বা অনূভ'রতা মূল কারন সাধারনতঃ ওভিলেশন(Ovulation Problem) সম্যসা এবংকোন কারনে ফেলোপিয়ান ...