চিকনগুনিয়া জ্বর একটি ভাইরাস ঘটিত জ্বর।চিকনগুনিয়া নামক আলফা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকনগুনিয়া জ্বর হয়।এই রোগটি সাধারনতঃআনহাইজেনিক পরিবেশে বেশি হয়।তাই রোগটি আফ্রিকা ও এশিয়ার অনেক উন্নেয়নশীল ও দরিদ্রে দেশে এই রোগের প্রাদুভাব দেখা যায়।তবে চিকনগুনিয়া জ্বরে মৃৎতুর আংশন্কা কম।এই জ্বরের জীবানুর বাহক এডিস ইজিবটি নামক মশাআন্যান মশার কামড়েও এই রোগটি হতে পারে।দিনের বেলায় সাধারনতঃ এই মশায় কামড়ায়।
সাধারনতঃ চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যাত্তিকে কোন মশা কামড়াইলে ঐ মশার দেহে চিকনগুনিয়া জ্বরের জীবানু প্রবেশ করে এবং এই মশা কাউকে কামড় দিলে সেও চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত হয়।
চিকনগুনিয়া জ্বর চিকনগুনিয়া জ্বরের লক্ষনগুলি ঃ
সাধারনতঃ চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যাত্তিকে কোন মশা কামড়াইলে ঐ মশার দেহে চিকনগুনিয়া জ্বরের জীবানু প্রবেশ করে এবং এই মশা কাউকে কামড় দিলে সেও চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত হয়।
চিকনগুনিয়া জ্বর চিকনগুনিয়া জ্বরের লক্ষনগুলি ঃ
- প্রচন্ড জ্বর আসে হঠাৎ করিয়া।
- জ্বরে আক্রান্ত ব্যত্তির দেহের জয়েন্টের মধ্যে প্রচন্ড ব্যাথা অনূভুত হয়।
- হাটু ও পায়ের পাতায় প্রচন্ড ব্যাথা হয় যার কারনে হাটতে ব্যাঘাত ঘটে।
- পিঠে ও মেরুদন্ডে ব্যাথা হয়।
- মাথা ও চোখে ব্যাথা হয়।
- বমি ও ডায়রিয়া হওয়া।
- মূখে ঘা হওয়া।
- প্রসাব কমে যাওয়া।
- শরীরের যেকোন দ্বার দিয়ে রক্তপাত হতে পারর।
- চামড়ায় লাল লাল র্যাশ দেখা যায় যা প্রথমে খুব চূলকায়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন