আমরা অন্ননালি বা খাদ্যনালি বলতে বুঝি গলার মধ্য স্হান হইতে পাকস্হলি পয'ন্ত,ইহাকে ইসোফ্যেগাস বলে।ইসোফ্যেগাসের কোন অংশে মারাত্নক ধরনের ক্ষতের সৃস্টি হইলে এবং ঐ ক্ষতে অস্বাভাবিক কিছু সেল গঠন বা তৈরী হইলে তাকে খাদ্য নালির ক্যান্সারের বা ইসোফ্যেগাস ক্যান্সার বলে।
ইসোফ্যেগাস ক্যান্সার মহিলাদের চেয়ে পুরুষের বেশী হয়।পৃথিবীতে ক্যান্সারের কারনে যত লোক মারা যায় তন্মে্ধ্যে
ইসোফ্যেগাস ক্যান্সারের কারন সষ্ট(৬ তম)।
ইসোফ্যেগাস ক্যান্সারের প্রধানতম কারন ধূমপান ও মদ পান এছাড়া ও অন্য যে সকল কারন রয়েছে ঃ
খাদ্য নালির ক্যান্সারের লক্ষনঃ
ইসোফ্যেগাস ক্যান্সার মহিলাদের চেয়ে পুরুষের বেশী হয়।পৃথিবীতে ক্যান্সারের কারনে যত লোক মারা যায় তন্মে্ধ্যে
ইসোফ্যেগাস ক্যান্সারের কারন সষ্ট(৬ তম)।
ইসোফ্যেগাস ক্যান্সারের প্রধানতম কারন ধূমপান ও মদ পান এছাড়া ও অন্য যে সকল কারন রয়েছে ঃ
- ভেজল খাদ্যগ্রহন।
- অতিরিক্ত মসলা জাতীয় খাদ্য গ্রহন।
- জদা'পাতা মূখে রাখা।
- মোটা হওয়া বা মেদ বৃদ্বি পাওয়া।
- দীঘ'দিন বুক জ্বালা পোড়া করা।
- বংশগত কারন।
- তীব্র রেডিয়েশনে আক্রান্ত।
- আবহাওয়া বা ভৌগলিক কারন অনেকাংশে দায়ী।
খাদ্য নালির ক্যান্সারের লক্ষনঃ
- খাবার গিলতে বা গলধকরনে খুবই কস্ট হয়।
- দ্রুত দেহের ওজন কমতে থাকে।
- গলার স্বর বসে যায় অথবা কক'শ হয়ে যায়।
- বুক জ্বালাপোড়া এবং বুক ব্যাথা হয়।
- দেহ দিরে দিরে দূব'ল হয়ে যায়।
- দেহে জ্বর জ্বর ভাব হয়।
- ক্ষুধাহীনতা ।
- প্রায়ই কোষ্ঠকাঠিন্যতা বাড়তে থাকে।
- হজমশক্তি দ্রুত কমতে থাকে ,বদহজম হয়।।
- রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়।
- পায়খানার সাথে রক্ত যেতে পারে।
- পাকস্হলীর শুরুতে হলে খাদ্যগ্রহনের সাথে সাথে বমি হয়।
- দেহে পানি স্বল্পতা দেখা দেয়।
- খাদ্যনালিতে টিউমার দেখা যেতে পারে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন