আমাদের দেহের মধ্যে অবস্তিত ধমনী ও শিরার মধ্যে দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়।দেহের মধ্যে দিয়ে অথাৎ ধমনী বা শিরার মধ্যে দিয়ে যখন রক্ত প্রবাহিত হয় তখন রক্ত জমাট বাধেঁ না হেপারিনের উপস্হিতির জন্য।এই হেপারিন এর পরিমান এক মানুষ হইতে অন্য মানুষের ভিন্ন।কাহারও রক্তের মধ্যে এই হেপারিনের পরিমান খুব কম থাকলে তখন তাহার দেহের রক্ত নালীর মধ্যে কিচিৎ রক্ত জমাট বেধেঁ জটিল পালমোনারী এম্বোলিজম রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
দেহের মধ্যে ধমনী বা শিরার ভিতর দিয়ে রক্ত যেন নিরবিছিন্ন বা রক্ত জমাট না বাধাটা যেমন জরুরী তেমনি দেহের কোন অংশ কাটিয়া গেলে সেই অংশে যখন রক্ত বের হতে তখন সেই অংশে রক্ত জমাট বাধাঁ আত্যান্ত জরুরী। এই রক্ত জমাট বাধার জন্য কতকগুলো ফ্যাক্টর অত্যান্ত প্রয়োজন যা দেহের মধ্যে উপস্তিত থাকে এবং বংশানূএমিক ভাবে স্হানান্তর হয় ।
যদি কাহারও দেহে রক্ত জমাট বাধাঁর ফ্যাক্টর কম থাকে তখন
তাহার দেহের কোন অংশ কাটিয়া গেলে রক্ত বের হয়ে মারাও যেতে পারে।এই রোগটা সাধারনতঃপুরুষের বেশী হয়ে থাকে।এই রোগের রোগীর মধ্যে ৮৫ শতাংশ ই পুরুষ এবং ১৫ শতাংশ নারী।পুরুষের বেশি হওয়ার এই রোগটি এক্স x জিন বাহী।
দেহের মধ্যে ধমনী বা শিরার ভিতর দিয়ে রক্ত যেন নিরবিছিন্ন বা রক্ত জমাট না বাধাটা যেমন জরুরী তেমনি দেহের কোন অংশ কাটিয়া গেলে সেই অংশে যখন রক্ত বের হতে তখন সেই অংশে রক্ত জমাট বাধাঁ আত্যান্ত জরুরী। এই রক্ত জমাট বাধার জন্য কতকগুলো ফ্যাক্টর অত্যান্ত প্রয়োজন যা দেহের মধ্যে উপস্তিত থাকে এবং বংশানূএমিক ভাবে স্হানান্তর হয় ।
যদি কাহারও দেহে রক্ত জমাট বাধাঁর ফ্যাক্টর কম থাকে তখন
তাহার দেহের কোন অংশ কাটিয়া গেলে রক্ত বের হয়ে মারাও যেতে পারে।এই রোগটা সাধারনতঃপুরুষের বেশী হয়ে থাকে।এই রোগের রোগীর মধ্যে ৮৫ শতাংশ ই পুরুষ এবং ১৫ শতাংশ নারী।পুরুষের বেশি হওয়ার এই রোগটি এক্স x জিন বাহী।
- দীঘ সময় ধরে রক্তক্ষরন এই রোগের প্রধান লক্ষণ।
- অনেক সময় বাচ্চা ভূমিষ্ট হওয়ার পর নাড়ি কাটাস্হান থেকে প্রচন্ড রক্তক্ষরন হয়।
- শিশু যখন হামাগুড়ি দিতে শিখে তখন অস্হিসন্দ্বিতে স্বতঃস্ফুত রক্তক্ষরন হয়ে হাটু কনূই ও পায়ের গোড়ালি ফূলে রক্ত বের হতে থাকে।
- খৎনা করার পর বা দাঁত ফেলার পর রক্ত ক্ষরন বন্দ্ব না হওয়া।
- মাংশপেশিতে যেমন উরু ,নিতম্ব.তলপেটের মাংশপেশিতে রক্তক্ষরন ও ব্যাথা হওয়া।
- সামান্য আঘাতে অথবা আঘাত ছাড়াও মস্তিস্কে রক্তক্ষরন হতে পারে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন