সারা বিশ্বে পরিসংখানে দেখা গেছে ষ্টোকজনিত মৃত্যুর সংখ্যা তৃতীয় এবং ষ্টোকের কারনে স্নায়ুজনিত অক্ষমতার অবস্হান।।মেডিকেল এর ভাষায় ষ্টোককে সেরেব্রোভাস্কুলার ডিজিজ বলে।
মস্তিস্কে সাধারনতঃদুই ধরনের ষ্টোক হয়ে থাকে ।
যেমনঃ ১।ইস্কেমিক ষ্টোক ঃ-যেখানে মস্তিস্কের মধ্যকার ধমনিগুলোতে রক্ত চলাচল কম করে।
২।হেমরেজিক ষ্টোকঃ-যেখানে মস্তিস্কের মধ্যকার ধমনীগুলো ছিড়ে রক্তক্ষরন হয়।
মস্তিস্কে কেন ষ্টোক হয় ঃমস্তিস্কে বা ব্রেন ষ্টোক নানাবিধ কারনে ।
যেমনঃ১ ।অনিয়ন্তিত উচ্চ রক্তচাপ অনিয়ন্তিত ডায়বেটিস হাইপারলিপিডিমিয়া বা আথেরস্কেলরসিস।
২।অবেসিটি বা অতিরিক্ত্ ওজন, ধূমপান, মানসিক দুঃশ্চিন্তা, নিদ্রাহিনতা ,এথেরঅ্যাম্বলিজম বা কারডিওঅ্যাম্বলিজম ।
৩।ব্রেন টিউমার হেড ইনজুরী বা আঘাতজনিত মেনিনজাইটিস এইচআইভি হেমাটোলজিক্যাল ডিস অডার।
মস্তিস্কের ষ্টোকে রোগীর কী কী উপসগ' দেখা যায়ঃ
মস্তিস্কে সাধারনতঃদুই ধরনের ষ্টোক হয়ে থাকে ।
যেমনঃ ১।ইস্কেমিক ষ্টোক ঃ-যেখানে মস্তিস্কের মধ্যকার ধমনিগুলোতে রক্ত চলাচল কম করে।
২।হেমরেজিক ষ্টোকঃ-যেখানে মস্তিস্কের মধ্যকার ধমনীগুলো ছিড়ে রক্তক্ষরন হয়।
মস্তিস্কে কেন ষ্টোক হয় ঃমস্তিস্কে বা ব্রেন ষ্টোক নানাবিধ কারনে ।
যেমনঃ১ ।অনিয়ন্তিত উচ্চ রক্তচাপ অনিয়ন্তিত ডায়বেটিস হাইপারলিপিডিমিয়া বা আথেরস্কেলরসিস।
২।অবেসিটি বা অতিরিক্ত্ ওজন, ধূমপান, মানসিক দুঃশ্চিন্তা, নিদ্রাহিনতা ,এথেরঅ্যাম্বলিজম বা কারডিওঅ্যাম্বলিজম ।
৩।ব্রেন টিউমার হেড ইনজুরী বা আঘাতজনিত মেনিনজাইটিস এইচআইভি হেমাটোলজিক্যাল ডিস অডার।
মস্তিস্কের ষ্টোকে রোগীর কী কী উপসগ' দেখা যায়ঃ
- মস্তিস্কের এক পাশ্বের হাত বা পা আংশিক বা সম্পূন প্যারালাইসিস হয়ে যায়।
- রোগী আক্রান্ত হাত পা নাড়াতে পারে না।
- আক্রান্ত হাত পায়ের উপর ভর দিতে পারে না।
- স্পষ্ট ভাবে অনেক সময় কথা বলতে পারেন না ।অনেক ক্ষেএে মূখ বাকা হয়ে যায়।
- খাবার গ্রহন করতে কস্ট হয়।
- প্রসাব বা পায়খানা নিয়ন্তন থাকে না।
- অনেক সময় মাথাব্যাথা করে,বমি ভাব হয়।
- ঘুম স্বাভাবিকভাবে হয় না।
- অনেক রোগীর মেমরী লস হয় যার ফলে তার পূবে'র পরচিতদের চিনতে পারে না।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন