ব্রংকাই (Bronchi) বা শ্বাসনালির বাহিরের আবরনে বা ইহার যেকোন অংশে প্রথমে ফ্রাইবয়েড ধরনের টিউমার তৈরী হয় এবং ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক ধরনের কোষ সৃষ্টি হতে থাকে ইহাই শ্বাসনালির ক্যান্সার বা ব্রংকাইজেনিক কারসিনোমা ,প্রকৃতপক্ষে ইহা এক প্রকার ফুসফুসের ক্যান্সার।
২ ধরনের শ্বাসনালির ক্যান্সার দেখা যায়ঃ
১।Small cell lung cancer ঃ শ্বাসনালির ক্যান্সারের আক্রান্তদের মধ্যে এই প্রকার রোগীর সংখ্যা ১৫ শতাংশ।
৩।Non Small cell lung cancerঃশ্বাসনালির ক্যান্সারের আক্রান্তদের মধ্যে এই প্রকার রোগীর সংখ্যা ৮০ শতাংশ।
লক্ষনঃ
১।রক্তসহ কাশিঁর আসে।
২।কাশিঁ স্হ্যায়ী হয়।
৩।গলা ব্যাথা পাশাপাশি প্রচুর শ্লেস্মা ওঠে।
৪।নিউমোনিয়া রেকারেন্ট হয় অথাৎ বার বার নিউমোনিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং
৫।শরীরে হালকা জ্বর থকে।
৬।অপ্রত্যাশিত ভাবে ওজন কমে।ফলে দেহ শীণ' হতে থাকে।
৭।শারীরিক দূব'লতা এবং দেহে শোথ বা পানি জমা হয়।খাবারে অরুচি ও ক্ষুধামন্দা সৃষ্টি হয়।
৮।খাদ্য গিলতে প্রচন্ড রকম কষ্ট হয়।
৯।রক্ত স্বল্পতা দেখ দেয়।
১০।শ্বাসনালিতে টিউমার থাকার কারনে শ্বাসনালি সরু হয়ে যায় এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
১১।অল্প পরিশ্রমে করলে বা অ্প্ল ব্যাাম করলে শ্বাস কষ্ট দেখা দেয়।
১২।সাধারন চিকিৎসায় ও ঔষধে রোগীর অবস্হার উন্নতি ঘটে না।
রোগ নিন'য় বা সনাক্তকরনঃX-ray,CT Scan,Throught Bioscopy পরীক্ষার মাধ্যমে শ্বাসনালির ক্যান্সার ভালভাবে নিন'য় করা সম্ভব।
সাবধানতাঃশ্বাসনালির ক্যান্সার একটি মারাত্নক রোগ।রোগের প্রাথমিক পযা'য়ে রোগ নিন'য় করা সম্ভব হলে লক্ষনের উপর ভিত্তি উপযুক্ত চিকিৎসা নিলে রোগ থেকে সেরে ওঠা সম্ভব।
প্রতিরোধঃশ্বাসনালির ক্যান্সার মারাত্নক রোগ বিধায় প্রতিরোধ করাই শ্রেয়।তাই ধূমপান,মদ্যপান, জদ্দা ও অন্যান্য নেশা পরিহার করা উচিৎ।অধূমপায়িদের সাবধান থাকিতে হবে ধূমপায়ী হইতে।উচচ তেজস্ক্রিয় কারখানা কাজ না করা। মেডিকেল ও ঔষধ কারখানায় অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।খাবারের মধ্যে অতিরিক্ত মসল্লা না দেওয়া।লাল মাংস কম খেত হবে।সবুজ আশঁযুক্ত শ্বাক-সবজি বেশী পরিমানে খেতে হবে।
২ ধরনের শ্বাসনালির ক্যান্সার দেখা যায়ঃ
১।Small cell lung cancer ঃ শ্বাসনালির ক্যান্সারের আক্রান্তদের মধ্যে এই প্রকার রোগীর সংখ্যা ১৫ শতাংশ।
৩।Non Small cell lung cancerঃশ্বাসনালির ক্যান্সারের আক্রান্তদের মধ্যে এই প্রকার রোগীর সংখ্যা ৮০ শতাংশ।
শ্বাসনালির ক্যান্সারের কারনসমূহঃ
১।সাকোসিস।
২।সোরা।
৩।সিফিলিস।
এছাড়াও আরও কিছু কারন রয়েছে যেমনঃবংশগত ইতিহাস থাকলে,অতিরিক্ত ধূমপান,মদপান এবং তামাক পাতা গ্রহন করিলে।ধূমপায়ীর ধোয়ার কারে অধূমপায়ীদের হতে পারে।বিষাক্ত গ্যাস শ্বাস নালিতে প্রবেশ করিলে।ভেজাল মিশ্রিত খাবার গ্রহন করিলে।ভেজাল বা মেয়াদোউত্তীণ' ঔষধ গ্রহন করিলে।সূযে'র অতি বেগুনী রশ্মীর প্রভাব এবং রাববার X-ray,CT Scan,Ultra sonogram এবং অন্যান্য ক্ষতিকর তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব।গলনালির বিভিন্ন রোগের ক্ষতিকর প্রভাব।দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে।
লক্ষনঃ
১।রক্তসহ কাশিঁর আসে।
২।কাশিঁ স্হ্যায়ী হয়।
৩।গলা ব্যাথা পাশাপাশি প্রচুর শ্লেস্মা ওঠে।
৪।নিউমোনিয়া রেকারেন্ট হয় অথাৎ বার বার নিউমোনিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং
৫।শরীরে হালকা জ্বর থকে।
৬।অপ্রত্যাশিত ভাবে ওজন কমে।ফলে দেহ শীণ' হতে থাকে।
৭।শারীরিক দূব'লতা এবং দেহে শোথ বা পানি জমা হয়।খাবারে অরুচি ও ক্ষুধামন্দা সৃষ্টি হয়।
৮।খাদ্য গিলতে প্রচন্ড রকম কষ্ট হয়।
৯।রক্ত স্বল্পতা দেখ দেয়।
১০।শ্বাসনালিতে টিউমার থাকার কারনে শ্বাসনালি সরু হয়ে যায় এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
১১।অল্প পরিশ্রমে করলে বা অ্প্ল ব্যাাম করলে শ্বাস কষ্ট দেখা দেয়।
১২।সাধারন চিকিৎসায় ও ঔষধে রোগীর অবস্হার উন্নতি ঘটে না।
রোগ নিন'য় বা সনাক্তকরনঃX-ray,CT Scan,Throught Bioscopy পরীক্ষার মাধ্যমে শ্বাসনালির ক্যান্সার ভালভাবে নিন'য় করা সম্ভব।
সাবধানতাঃশ্বাসনালির ক্যান্সার একটি মারাত্নক রোগ।রোগের প্রাথমিক পযা'য়ে রোগ নিন'য় করা সম্ভব হলে লক্ষনের উপর ভিত্তি উপযুক্ত চিকিৎসা নিলে রোগ থেকে সেরে ওঠা সম্ভব।
প্রতিরোধঃশ্বাসনালির ক্যান্সার মারাত্নক রোগ বিধায় প্রতিরোধ করাই শ্রেয়।তাই ধূমপান,মদ্যপান, জদ্দা ও অন্যান্য নেশা পরিহার করা উচিৎ।অধূমপায়িদের সাবধান থাকিতে হবে ধূমপায়ী হইতে।উচচ তেজস্ক্রিয় কারখানা কাজ না করা। মেডিকেল ও ঔষধ কারখানায় অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।খাবারের মধ্যে অতিরিক্ত মসল্লা না দেওয়া।লাল মাংস কম খেত হবে।সবুজ আশঁযুক্ত শ্বাক-সবজি বেশী পরিমানে খেতে হবে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন