যখন একজন কিশোর /কিশোরীর বয়ংসন্দ্বি কাল আসে তখন তারা প্রথমে অ৪সস্তিকর অবস্হ্যা অনূভব করেন।বয়ংসন্দ্বিকাল সাধারনত কিশোরীদের শুরু হয় ৮ থেকে ১৪ বৎসরে,ইহা অনেকটা ভীন্নতা লক্ষ্য করা যায় পরিবেশগত এবং ভৌগলিক অবস্হানের কারনে ।স্বকীয় দৈহিক গঠন এবং হরমোন নিস্বরনের ভীন্নতার কারনে ও ভীন্ন ভীন্ন বয়সে সংঘটিত হয়।বাংলাদেশ.পাকিস্হান.ভারতের কিশোরিদে মাসিকচক্র(Menstruation cycle) খুব অল্প বয়সেই শুরু হয়।
মেয়েদের যখন প্রথম মাসিক শুরু হয় তারা প্রথমে ভয় পেয়ে যান রত্ত বের হতে থেকে এবং একটু বিব্রত হয়ে যান আবার অনেকে কার ও কোন কিছু না শেয়ার করে একাকিত্ব ও বিষন্নতা ভোগে তাই আমি পরামশ্ দিব আপনি আপনার মার সাথে অথবা বড় বোন অথবা ঘনিষ্টজনের সাথে শেয়ার করুন অথবা অনলাইনে সাচ দিয়ে জানুন।মাসিকের সময় ভয় পাবার কিছু নেই ।
( চিএঃ প্রাথমিক মাসিক অবস্হ্যায় পরিচযা )
প্রথম দিকের মাসিকের সময় ১দিন বা ২য় দিন পযন্ত হালকা/অল্প পরিমান রত্ত বের হতে পারে তাই তখন ফামে'সী থেকে পেড সংগ্রহ করে নিবেন।আবার বাড়িতে ভাল পরিস্কার সূতী কাপড়ের টুকরো করে নিজে পেডের বিকল্প তৈরী করে নিতে পারেন।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন মাসিক হয়।মাসিক হচ্ছে সন্তান জন্ম ধারন করার প্রাথমিক শত'।অথাৎ মাসিক ছাড়া কনসিভ কোন ভাবেই সম্ভব না।
বয়ংসন্দ্বি কালে দেহের মধ্যে কতগলো পরিবতন সাধিত হয় ।পরিবতন বা লক্ষন গুলো হল নিন্মরুপঃ
১ ।দেহের মধ্যে এক ধরনের নতূন গন্দ্বের আভীভাব মটে ।
২ ।কন্ঠের মধ্যে কিছু পরিবতন লক্ষ্য করা যায় ।
৩।স্তনের কোষবিভাজন দ্রুত বৃদ্দি পায় ফলে স্তনের বাহ্যিক আকৃতি বৃদ্দি পায়।
৪।মেয়েদের মধ্যে দ্রুত আবেগ বৃদ্দি পাইতে থাকে।
মাসিক মূলত ২ প্রকার ঃ
১ঃনিয়মিত মাসিকঃ
২ঃঅনিয়মিত মাসিকঃ
১ঃ নিয়মিত মাসিকঃযখন কারও মাসিক প্রতিমাসে নিয়মিত
ভাবে সংঘটিত হয় এবং প্রত্যেক মাসে মাসিক চএের সময় ১ দিন থেকে ৩ দিন পযন্ত রত্ত বের হয়।
মেয়েদের যখন প্রথম মাসিক শুরু হয় তারা প্রথমে ভয় পেয়ে যান রত্ত বের হতে থেকে এবং একটু বিব্রত হয়ে যান আবার অনেকে কার ও কোন কিছু না শেয়ার করে একাকিত্ব ও বিষন্নতা ভোগে তাই আমি পরামশ্ দিব আপনি আপনার মার সাথে অথবা বড় বোন অথবা ঘনিষ্টজনের সাথে শেয়ার করুন অথবা অনলাইনে সাচ দিয়ে জানুন।মাসিকের সময় ভয় পাবার কিছু নেই ।
( চিএঃ প্রাথমিক মাসিক অবস্হ্যায় পরিচযা )
প্রথম দিকের মাসিকের সময় ১দিন বা ২য় দিন পযন্ত হালকা/অল্প পরিমান রত্ত বের হতে পারে তাই তখন ফামে'সী থেকে পেড সংগ্রহ করে নিবেন।আবার বাড়িতে ভাল পরিস্কার সূতী কাপড়ের টুকরো করে নিজে পেডের বিকল্প তৈরী করে নিতে পারেন।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন মাসিক হয়।মাসিক হচ্ছে সন্তান জন্ম ধারন করার প্রাথমিক শত'।অথাৎ মাসিক ছাড়া কনসিভ কোন ভাবেই সম্ভব না।
বয়ংসন্দ্বি কালে দেহের মধ্যে কতগলো পরিবতন সাধিত হয় ।পরিবতন বা লক্ষন গুলো হল নিন্মরুপঃ
১ ।দেহের মধ্যে এক ধরনের নতূন গন্দ্বের আভীভাব মটে ।
২ ।কন্ঠের মধ্যে কিছু পরিবতন লক্ষ্য করা যায় ।
৩।স্তনের কোষবিভাজন দ্রুত বৃদ্দি পায় ফলে স্তনের বাহ্যিক আকৃতি বৃদ্দি পায়।
৪।মেয়েদের মধ্যে দ্রুত আবেগ বৃদ্দি পাইতে থাকে।
মাসিক মূলত ২ প্রকার ঃ
১ঃনিয়মিত মাসিকঃ
২ঃঅনিয়মিত মাসিকঃ
১ঃ নিয়মিত মাসিকঃযখন কারও মাসিক প্রতিমাসে নিয়মিত
ভাবে সংঘটিত হয় এবং প্রত্যেক মাসে মাসিক চএের সময় ১ দিন থেকে ৩ দিন পযন্ত রত্ত বের হয়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন