উচ্চ রক্তচাপকে আমরা হাইপারটেনশনও বলে জানি।আমরা আমাদের দেহের রক্ত সঞ্চালন পদ্বতিতে দেখতে পাই যে,আমাদের দেহের মধ্যে রয়েছে একটি হ্রৎপিন্ড যা দেহের মধ্যে পাম্প যন্ত্ হিসেবে কাজ করে আর রয়েছে ধমনী ও শিরা উপশিরা।এখানে ধমনী গুলো চথেকে বিশুদ্ব রক্ত সারা দেহের কোষের মধ্যে পৌছে যায়।
এক্ষেএে ব্যতিক্রম দেখা যায় পালমোনারী ধমনীর ক্ষেএে যা দূষিত রক্ত হ্রৎপিন্ড থেকে ফুসফুসের মধ্যে নিয়ে যায় রক্ত বিশুদ্ব করার জন্যে।
আর শিরা উপশিরা গুলো সারা দেহের কোষের মধ্যে হতে দূষিত রক্ত পরিবহন করে হ্রৎপিন্ড মধ্যে পৌৌছে দেয়।
এ
রক্ত সঞ্চালনের সময় যখন হ্রৎপিন্ড পাম্প করে তখন বিশুদ্ব রক্ত সজোরে ধমনীতে ঢেলে দেয় ফলে ধমনীর প্রাচিরের দেওয়ালে গাএে চাপ অনূভুত হয় ।এই চাপকেই রক্তচাপ বলে। এই রক্তচাপ একটি অতি প্রয়োজনীয় দেহেরর জন্যে।
মানুষ সূস্হ্য ভাবে বেচেঁ থাকার জন্য একটি স্বাভাবিক মাএার রক্তচাপ প্রয়োজন।যদি কোন কারনে এই রক্তচাপ স্বাভাবিক মাএার চেয়ে বেশী হয় তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে।
যদি কোন কারনে এই রক্তচাপ স্বাভাবিক মাএার চেয়ে কম হয় তখন তাকে নিন্ম রক্তচাপ বলে।
এক্ষেএে ব্যতিক্রম দেখা যায় পালমোনারী ধমনীর ক্ষেএে যা দূষিত রক্ত হ্রৎপিন্ড থেকে ফুসফুসের মধ্যে নিয়ে যায় রক্ত বিশুদ্ব করার জন্যে।
আর শিরা উপশিরা গুলো সারা দেহের কোষের মধ্যে হতে দূষিত রক্ত পরিবহন করে হ্রৎপিন্ড মধ্যে পৌৌছে দেয়।
এ
রক্ত সঞ্চালনের সময় যখন হ্রৎপিন্ড পাম্প করে তখন বিশুদ্ব রক্ত সজোরে ধমনীতে ঢেলে দেয় ফলে ধমনীর প্রাচিরের দেওয়ালে গাএে চাপ অনূভুত হয় ।এই চাপকেই রক্তচাপ বলে। এই রক্তচাপ একটি অতি প্রয়োজনীয় দেহেরর জন্যে।
মানুষ সূস্হ্য ভাবে বেচেঁ থাকার জন্য একটি স্বাভাবিক মাএার রক্তচাপ প্রয়োজন।যদি কোন কারনে এই রক্তচাপ স্বাভাবিক মাএার চেয়ে বেশী হয় তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে।
যদি কোন কারনে এই রক্তচাপ স্বাভাবিক মাএার চেয়ে কম হয় তখন তাকে নিন্ম রক্তচাপ বলে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন